অনুসন্ধানী তথ্য: স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, সুদীপ্ত শর্মার সবুজবাগ এলাকায় একটি নিজস্ব ক্যাডার বাহিনী গড়ে তুলেছিলেন। তার ঘনিষ্ঠ কয়েকজন কর্মীর দাবি, ছাত্রলীগের দুধর্ষ ক্যাডার সবসময় অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র সাথে রাখতেন এবং সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখাতেন। গত ৩১ জুলাই তার সরাসরি নেতৃত্বে ছাত্রলীগের একদল কর্মী সাধারণ ছাত্র জনতার ওপর বর্বরোচিত হামলা চালায়। সেই হামলায় বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীসহ কয়েকজন মা-রা যান ও গুরুতর আহত হন।
জনরোষ ও পোস্টারিং: এদিকে, এলাকায় বিচারের দাবিতে বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা বিভিন্ন সময় মিছিল ও সমাবেশ করেছে। এলাকার বিভিন্ন দেওয়ালে তার বিরুদ্ধে পোস্টার ও প্লেকার্ড লাগানো হয়েছে, যেখানে তাকে ‘কুখ্যাত সন্ত্রাসী’ ও ‘গণশত্রু’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। অনেক জায়গায় তাকে ধরিয়ে দিতে পারলে পুরস্কারের ঘোষণাও দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিশের বক্তব্য: এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বলেন, “সুদীপ্ত শর্মা একজন তালিকাভুক্ত শীর্ষ দাগী আসামি। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য আমরা সম্ভাব্য সকল স্থানে অভিযান চালাচ্ছি। সে যাতে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে দেশত্যাগ করতে না পারে, সেজন্য সীমান্ত এলাকায় সতর্কতা জারি করা হয়েছে। খুব দ্রুতই তাকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আমরা আশাবাদী।”
বর্তমানে সুদীপ্ত শর্মার পরিবারের সদস্যরাও আত্মগোপনে থাকায় তাদের কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি। এলাকায় শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।